মৌ মৌ ঘ্রাণে প্রাণবন্ত প্রকৃতি, ফুটতে শুরু করেছে আমের মুকুল - সময় আমাদের ২৪

Latest

মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২০

মৌ মৌ ঘ্রাণে প্রাণবন্ত প্রকৃতি, ফুটতে শুরু করেছে আমের মুকুল

মৌ মৌ ঘ্রাণে প্রাণবন্ত প্রকৃতি, ফুটতে শুরু করেছে আমের মুকুল
স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট দক্ষিণ সুরমার উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আম গাছগুলোতে মুকুল ফুটতে শুরু করেছে। গাছে গাছে আমের মুকুলের মিষ্টি সৌরভ ছড়াতে শুরু করেছে। মুকুলের মৌ মৌ ঘ্রাণে জানান দিচ্ছে মধুমাসের আগমী বার্তা।

কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবং সময়মতো পরিচর্যা করা হলে ফল মৌসুমে আমের ভালো ফলন হবে। সে কারণে আশায় স্বপ্ন ভুনে পরিচর্যা শুরু করেছেন আমচাষীরা। তাদের আশা, চলতি মৌসুমে তারা আম চাষে অর্থনীতিকভাবে লাভবান হবেন।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, সমশের নগর, ভানুগাছ, বরমচাল ও বড়লেখা সহ নানা এলাকাতে রয়েছে আমবাগান। বাজারে দেশী আমের চাহিদা থাকায় ভালো দাম পান আম চাষিরা। লাভজনক হওয়ায় অনেক উপজেলায় আম বাগানের সংখ্যা বাড়ছে। 

কুলাউড়ার এলাকার এক আমচাষী ফরমান আলী জানান, এ বছরের আবহাওয়া আমের জন্য অনুকুলে রয়েছে। গত বছরের চেয়ে টানা শীত ও কুয়াশার তীব্রতা এ বছর অনেক কম। গতবারের মতো মৌসুমের শুরুতে শিলাবৃষ্টিও হয়নি। এ বছর শিলাবৃষ্টি বেশি হলে আমের মুকুলের ক্ষতি হবে। তার উপর সামনে কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। তাই আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে যথেষ্ট শঙ্কাও কাজ করছে। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে এবার আমের ফলন ভালো হবে বলে জানান তিনি। কমির নামের আরেক আমচাষী জানান, আম গাছে পরিচর্যা করার কারণে এখন প্রতি বছরই আমের ভালো ফলন পাওয়া যাচ্ছে। 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরামর্শে গাছে মুকুল আসার ১৫ থেকে ২০ দিন আগেই তারা পুরো গাছ
সাইপারম্যাক্সিন ও কার্বারিল গ্রুপের কীটনাশক দিয়ে ভালোভাবে স্প্রে করে গাছ ধুয়ে দিয়েছেন। এতে গাছে
বাস করা হপার বা শোষকজাতীয় পোকাসহ অন্যান্য পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। যদি সঠিক
সময়ে হপার বা শোষক পোকা দমন করা না যায় তাহলে আমের ফলন কমে যেতে পারে বলে জানান এই আমচাষী।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন