স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটের দক্ষিণ সুরমার নর্থইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাব ফায়ার স্টেশনের নির্মাণাধীন ছাদ ধসে ১৩ নির্মাণ শ্রমীক আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় ছাদ ধসে পড়ে বলে জানিয়েছে পুলিশ ও ফায়ারসার্ভিস।
আহতদের উদ্ধার করে নর্থইস্ট মেডিকেলে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তারা হলেন, নগরীর খাসদবীর খোকন (১৯), কলাপাড়ার জাকির হোসেন (২০), একই এলাকার তাজুল ইসলাম (২৪), আকতার হোসেন (২৮), সুনামগঞ্জের দিরাইর ভাটিপড়ার হোসেন (৩০), একই এলাকার আবুল কাসেম (৫৫), মটুক মিয়া (৩১), শহিদনূর (৩০), দক্ষিণ সুরমার লালবাজারের শফিক মিয়া (৩৫), টাঙ্গাইলের সেলিম (৪০), ২৫নং ওয়ার্ডের শামীম (২৫), দক্ষিণ সুনামগঞ্জের বাবলু (২৫) ও দক্ষিণ সুরমার তুরখলার ফয়সল আহমদ (২৮)।
পুলিশ, ফায়ারসার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, দক্ষিণ সুরমার নর্থইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মসজিদের পাশে মেডিকেলের সাব পাওয়ার হাউজ ফায়ার স্টেশনের নির্মাণাধীন বিল্ডিং এর ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলছিলো। মঙ্গলবার লেবার সরদার আলমগীর ও মোশাররফের তত্বাবধানে ৪৮ জন নির্মাণ শ্রমীক সারাদিন কাজ করে শেষ মুহূর্তে বিকেলে পুরো ছাদ ধসে পড়ে। নতুন মাটির অপর ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করায় মাটি সরে যাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে দক্ষিণ সুরমা ফায়ার স্টেশনের
স্টেশন অফিসার ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী ও লিডার জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে ১৪ জন ফায়ারসার্ভিস কর্মী এবং দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল ফজল ও এ এসআই মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
নর্থইস্ট মেডিকেল কলেজের সেক্রেটারি মো: আব্দুল ওয়াহিদ জানান, ঘটনার পরপরই আহতদের উদ্ধার নর্থইস্টেই চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
নির্মাণাধীন বিল্ডিং এর ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুর রহমান খাঁন বলেন, ৪হাজার ৩শ' স্কয়ারফুট ছাদ ঢালাইয়ের সাটাররিং ফেল হওয়ায় ছাদ ধসার ঘটনা ঘটতে পারে। তদন্ত কমিটির মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।
দুর্ঘটনার বিষয়ে দক্ষিণ সুরমা ফায়ার স্টেশন অফিসার ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী জানিয়েছেন, সাঁটারিং এর নিচের মাটি নরম থাকায় ছাদ ধসে পড়তে পারে। ভেঙ্গে পড়া ছাদের নিচে কোনো শ্রমীক নাই বলে জানিয়েছেন তিনি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী দক্ষিণ সুরমা থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল ফজল বলেন, বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে নর্থইস্ট মেডিকেল। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। অভিযোগ না পাওয়ায় কোনো মামলা হয়নি।




কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন